Posts

পশুদের মানুষ ও মানুষের পশুর মতো আচরণ

Image
যেদিন থেকে তুর্কি কাংগাল কুকুর সম্পর্কে জানতে পারি সেদিন থেকে আমি তাদের গুণগ্রাহী হয়ে উঠি। এরা বেশ শান্ত ও স্থৈর্য প্রকৃতির। স্বল্পে ত্যক্ত হয় না। এজন্য শিশুদের প্রহরা বা যত্নেও এদের ব্যবহার আছে: তবে পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে অনেক শিশু গৃহপালিত কুকুর দ্বারা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কিংবা পঙ্গুত্ব বরণ করে। কারন সকল কুকুর সকল কাজের উপযুক্ত নয়। যেমন বুলডগ, রটওয়াইলার, ডবারমেন, পিটবুল এগুলো প্রকৃতিগত ভাবেই রগচটা, হিংস্র। কুকুর ক্ষুরধার নখর ও দন্তযুক্ত একটি শক্তিশালী প্রাণী। এদের নিকট থাকা নিরাপদ নয়। খুব সম্ভবত এ কারনেই এদের গৃহে স্থান দেয়া ইসলামে নিষিদ্ধ। তবে শিকারের প্রয়োজনে এদের ব্যবহার জায়েজ। এটাই ওদের মুল দক্ষতা বা উপযোগীতা। তুর্কি কাংগাল পরিস্থিতির প্রয়োজনে বেশ ক্ষিপ্র ও হিংস্র হয়ে উঠতে পারে। এজন্য মেষ পালক হিসেবে তাদের ব্যবহার প্রচুর। তুর্কিতে নেকড়ে-শিয়াল ইত্যাদির উপদ্রব বেশী। তাদের থেকে গবাদি পশু রক্ষার জন্য কাংগালের ব্যবহার ঢের। অনেক সময় কয়েকটা কাংগাল মিলে নেকড়ের পাল, কিংবা ভাল্লুক এমনকি সিংহকে পর্যন্ত তাড়িয়ে দিতে দেখা গেছে। দেশী নেড়ী কুত্তার সাথে তুর্কি কাংগালের একটা বড়ো পার্থক্য হলো, নেড়ী ...

Kant's Bismillah

Image
When I said, Upon some reflection I found that this barrier comes from my inability to relate to the paradigm. I suspect that even if I'm given the proper context I won't be able to relate. For one has to live through it to really make sense of it. — Sazzad Bin Kamal (@sazzadbinkamal) June 28, 2023 I was specifically talking about the writings of Kant and Hegel. The difficulty compounds in the absence of a rigorous academic background in the subject matter. Layman reading can only take you so far. But I might have belittled the importance of contextual information. Specially a historical one. It surely compensates for a lot of confusion: Upon some reflection I found that this barrier comes from my inability to relate to the paradigm. I suspect that even if I'm given the proper context I won't be able to relate. For one has to live through it to really make sense of it. — Sazzad Bin Kamal (@sazzadbinkamal) June 28, 2023 Besides there is no time machine to go back and rel...

আগরওয়ালাদের কেচ্ছা

Image
এই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুই শ্রেনীর লোক আশাবাদী হতে পারেন। এক: যারা অকাট। দুই: যারা স্বপ্নদর্শী। বাঙ্গালীদের মতো গড়পড়তা হাঁদারামদের দেশে মাঝে মাঝে সালেহউদ্দিন আহমেদের মতো পরিষ্কার মাথার লোকদের দেখলে আমি দেশের উন্নত ভবিষ্যত নিয়ে স্বপ্ন দেখার সাহস পাই। এমন এক পরিষ্কার মাথার মানুষ ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম সাইফুর রহমান সাহেব। তাঁর একটা কথা আমার প্রায়ই মনে পড়ে: আগরওয়ালারা ফুইশা দিয়া টেহা লইয়া যায়। বিগত এক যুগে বাংলাদেশের অর্থনীতির চিত্র "টেহা-ফুইশা"-র এই লেনদেনের চিত্র-ই তুলে ধরে। এইতো কিছুদিন আগে বাজেট পেশ করবার সময় আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে বলা হলো, বিএনপি ধার করে বাজেট দিতো আর তারা দেশের মানুষের টাকায় বাজেট দিচ্ছে। কথা হলো বিএনপি যখন ধার করে বাজেট দিতো তখন দেশের মানুষের মাথা পিছু যে ঋণ ছিলো এখন তা বেড়েছে বহুগুণ! স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে দেশের মানুষের পকেট থেকে টাকা নিয়ে দেশের মানুষকেই আবার ঋণগ্রস্ত করছে কারা? এরাই আগরওয়ালা। দেশের মানুষের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে দেয়ার সাথে সাথে বিদেশীদের থেকে ঋণ করে মহাপ্রকল্পের নামে বিদেশে টাকা পাচারের এই যে মহালুটের লেনদেন এটাই "ফুইশা দিয়া ট...

দফা রফা, দফার রফা

Image
সময়ে সময়ে বিএনপি'র হুমকি-ধমকি দেখলে মনে হয় যেন এই বারে তারা সরকারের একটা দফা-রফা করে ছাড়বে। কিন্তু প্রতিবারই এরা দফার রফা করতেই খেই হারিয়ে ফেলে। দেশবাসীও আশায় গুঁড়েবালি দিয়ে ক্ষান্ত হয়ে যায়। কিন্তু তাই বলে এসব দফার মূল উপজীব্য সমূহ উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।  প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ভারসাম্য সম্পর্কিত কিছু কথা আমরা ইতিপূর্বে বলেছি।‌ সেই সাথে এটাও যুক্ত করতে চাই যে, বর্তমানে প্রেসিডেন্টের যেই ক্ষমতা সেই ক্ষমতার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার কি আমরা এ যাবৎ দেখেছি? যেমন প্রেসিডেন্টকে একটা ক্ষমতা দেয়া হয়েছে যে তিনি মৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত আসামীর দন্ড প্রত্যাহার করতে পারেন। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে বরং আমরা সেই ক্ষমতার অপব্যবহার দেখেছি। অর্থাৎ যে ক্ষমতা রাখা হয়েছিলো নিয়মতান্ত্রিক গিঁট ছাড়ানোর (Tie Breaker) জন্য, সে ক্ষমতা ব্যবহৃত হয়েছে নিয়মতন্ত্রের দড়ি ছাড়ানোর জন্য। এ ধরনের ক্ষমতা রাখা হয় এই কারণে যে, অনেক সময় নিরপরাধ মানুষেরাও ষঢ়যন্ত্রের শিকার হন। অর্থাৎ একটি পক্ষপাতহীন, ন্যায়ানুগ, বিচক্ষণ আলাদতের দৃষ্টিতে আনুষঙ্গিক প্রমাণ (circumstantial evidence) সাপেক্ষে কারও অপরাধ প্রমাণিত হওয়া স্বত্তেও ...

To each their own

Image
Believers have their Prophets ﵈ and unbelievers have their leaders. Ever since I watched this movie, this particular scene always reminds me of the Beloved ﷺ. Comparing a Prophet against a "Führer" (leader) is insulting. A leader is dependent on his followers. Often his messages and techniques are directed at short term achievables. A leader's success depends on those deliverables. A leader, however capable, is not recognized if not sanctioned by followers. Often it is difficult for the mass to tell between a master and a charlatan. A Prophet is self-evident, by his presence, his speech, his mode of work. A Prophet does not need the approval of his disciples for his message to be true. For a Prophet's message conveys the eternal and original truth. The human soul can recognize that truth and is attracted to it by nature. So this is not a comparison. Its a Muslim's personal way of re-affirming his faith observing the inevitable tragic end of a chiefdom that was mis...

ভেড়া ও তার মেষপালক

বেলুন যতো বড়ই হোক তার ভেতরটা ফাঁপা। এ কারনে বিশালদেহী বেলুনের বায়বীয় অস্তিত্ব প্রমাণে ক্ষুদ্র কাঁটার আলতো স্পর্শ-ই যথেষ্ট। জালিম ও জুলুমের ওপর প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা, বাচনে যতো তাকত-ই দেখাক তা শূন্যগর্ভ। সরকারপক্ষের যারা এতোদিন মার্কিনিদের বিরুদ্ধে অনেক হাঁকডাক দিচ্ছিলো, এক ভিসা নীতির বদৌলতে তাদের মুখ পাংশু হয়ে গেছে। অপরদিকে স্বৈরাচারীর আসু পতনের সম্ভাবনায় দেশে ঈদের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। একথা যেমন সত্য যে দেশের আপামর জনসাধারণের ন্যায় আমি যেমন পুলকিত, তেমনি একটা মুসলিম প্রধান জনগোষ্ঠীর অক্ষমতায় শঙ্কিতও বটে। বিগত এক যুগে এতো এতো ঈমানদারদের জান গেলো, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করলো, অনেকে গুম হলো, অনেকে ভিটা-মাটি ছাড়া হলো, অনেকে চাকুরীচ্যুত হলো, তথাপি এইসব অবিচারের সুরাহা হওয়া দুরে থাক, জালিমের টিকি-টা স্পর্শ করা গেলো না। সেই জালিমের এতো হম্বিতম্বি, এতো অহমিকা, এতো উল্লম্ফন, নিমেষে টলে গেলো এক কাফের দেশের ভিসা "নীতি"-তে! আমরা কি তাহলে আঁ হযরতের ভবিষ্যতবাণীর সেই বিশ্বাসীগণ, যারা সংখ্যায় বেশুমার কিন্তু কুওতে গাঁজলার চেয়েও হালকা? ভবিতব্য অনুসারে আমাদের দেশটাকেও কি অচিরেই কাফেরেরা দস্তরখানের খাদ্য...

ইসলাম "আসলে" কি বলে?

ধানমন্ডি-কে দেশের অভিজাত এলাকার একটি গণ্য করা হয়। মনে করা হয় এখানে শিক্ষিত, গণ্যমান্য লোকেদের বাস। তো একবার সেখানকার এক মসজিদে জুম্মা পড়তে গেলাম। ইমাম সাহেব এক সাবেক বিচারপতির সাথে মুসল্লিদের পরিচয় করিয়ে দিলেন। ঠিক কি জন্য স্মরণে নাই, তাকে বক্তব্যের জন্য ফ্লোর দেয়া হলো। উনি ইসলাম নিয়ে বয়ান করে চললেন। আমার তখন আমাদের স্কুলের এক প্রিন্সিপালের কথা মনে পড়লো। উনি অংকের শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু প্রতি শুক্রবার কোরানের তফসীর করতেন। বক্তব্য এতোটাই একঘেঁয়ে ছিলো যে অনেক ছাত্ররা ঝিমুতো। কেউ কেউ বিড়বিড় করে গল্প করতো। গুঞ্জন বেড়ে গেলে মাঝে মাঝে আমাদের শিক্ষক বা বড় ভাইদের মধ্যে যারা তবলীগ করতেন তাদের কেউ উঠে দাঁড়িয়ে আমাদের শাসাতেন, উপদেশ দিতেন: আমরা কথা না বলি, খুব ফযীলত হবে। তখন কথা বন্ধ করে সবাই ঘুমিয়ে যেতো। ফযীলত হতো কিনা জানিনা। দেশের শিক্ষিতদের শিক্ষার ও ধার্মিকজনের ধার্মিকতার হাল-হকিকত বোঝার জন্য কাবিল হবার প্রয়োজন নেই। এ বেহাল দশা হর-হামেশাই চোখে ধরা পড়ে। যখন ধানমন্ডি লেকে নিয়মিত হাঁটতাম তখন লক্ষ্য করতাম, যে দেয়ালের পাশে ময়লা ফেলা হয় সে দেয়ালে লেখা: পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ - আল-হাদিস। আমি...