খান সাহেব
খান সাহেবের জন্য বেশ খারাপ লাগে। বহুদিন পর পাকিস্তান একজন জনগণের নেতা পেয়েছিলো যিনি তাদের মধ্য থেকেই উঠে আসা। ইমরান খান প্রমাণ করেছিলেন যে রাজনৈতিক পরিবারে না জন্মেও কিংবা প্রচলিত রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি না করেও রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা যায়। খান সাহেবের আরও বিশেষত্ব এই যে তিনি সাধারণ সিভিলিয়ান নন। তিনি খেলোয়াড় থেকে রাজনীতিবিদ হয়েছেন। তদ্রুপ যে কোন পেশা এমনকি সশস্ত্র বাহিনী থেকে এসেও একজন রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা যায়। তবে সেক্ষেত্রে শর্ত হলো এই যে "রাজনীতিবিদ হয়ে উঠতে হবে"। সারাজীবন সরকারী তনখা টেনে সুযোগ মতো স্বার্থোদ্ধারের নিমিত্তে পেটিকোট খুলে উদ্দাম নৃত্য দিলেই রাজনীতিবিদ হওয়া যায় না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্যের যেসক রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনী থেকে এসেছিলেন তাদের মধ্যে এই রুপান্তর দেখা যায়। এ কারনে তাঁদের বক্তৃতা-বিবৃতি, কর্মপদ্ধতিতে সিভিলিয়ান মানস ফুটে ওঠে। তথাপি তাঁদের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকে প্রচ্ছন্ন। অর্থাৎ রাজনীতিবিদ এ রুপান্তর ব্যক্তি বিশেষের পেশাগত অতীতের বিস্মৃতিকে আবশ্যক করে না বরং জনমানসের ছাঁচে তাকে করে তোলে পরিশীলিত। এ কারনে একেক জন্য রাজনীতিবিদ একেক ধরনের বৈশ...