আমার শিক্ষকের মোল্লাগিরি এবং তারেকের মুফতীগিরি
আমার পার্সোনালিটির একটি বৈশিষ্ট্যহলো এই যে আমি বাই ডিফল্ট মানুষকে বিশ্বাস করি, সম্মান করি। যতোক্ষণ না তার বিশ্বাসঘাতকতা, নীচতা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হচ্ছে। এনরেজীতে বলে Fool me once, shame on you, fool me twice shame on me। হাদীস শরীফে বলা হয়েছে যে একজন ঈমানদার কখনোই একই গর্ত দুইবার দংশিত হয়না। যখন কারও বিশ্বাসঘাতকতা প্রমাণিত হয়ে যায় তখন তা মেনে নেয়া আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। আমি তখন সেই ব্যক্তির ওপর ভয়াবহ সংক্ষুব্ধ হয়ে উঠি। এটা আমার যাপিত জীবনের একটা অত্যন্ত কমন কিন্তু পীড়াদায়ক অভিজ্ঞতা। কেননা এই দেশে হারামীর অভাব নেই। দুটো অভিজ্ঞতার বর্ণনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। ইশকুলে আমাদের এক শিক্ষক ছিলেন ছাত্রদের পেটাতে পেটাতে তাঁর হাঁপানি উঠে যেতো। এরপর দম ফিরে পেলে তিনি আবারও ছাত্র পেটানো শুরু করতেন এক পৈশাচিক উদ্যমে। আমি যেহেতু আল্লাহর রহমতে বাল্যকাল থেকেই ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট ছিলাম সেহেতু ধর্মীয় শিক্ষার একটা বড়ো প্রভাব আমার ওপর কাজ করতো। হাদীস শরীফের বরাতে একটা কথা প্রচলিত ছিলো যে শিক্ষার্থীর শরীরের যে স্থানে শিক্ষকের বেত্রাঘাত পড়ে সে স্থান বেহেশতে যায়। আমিও তা অন্তর দিয়ে ধারণ করতাম। কাজেই আমাদ...