ষঢ়যন্ত্রতত্ত্ব
আমার লেখালেখির কয়েটি মৌলিক প্রতিপাদ্য হলো ষঢ়যন্ত্রতত্ত্ব প্রবণ মানস কাঠামোর খন্ডন। তাতে কতোটুকু সক্ষম হয়েছি আল্লামালুম। তবে জাতীয় পরিস্থিতি দেখে খুব একটা আশাবাদী হতে পারছিনা। বাংলাদেশের সকল প্রকার ষঢ়যন্ত্রতত্ত্বিক মানসের দুইটা মুল উপাদান ভারত ও পাকিস্তান। ভারতের ব্যাপারটা সর্বজনীন। পাকিস্তানের ব্যাপারটা কেবল ভারতীয় সেবাদাস আওমী মানসেই সীমিত। অর্থাৎ প্রথমটা বাস্তবিক। দ্বিতীয়টা বায়বীয়। প্রথমটা কার্যত। দ্বিতীয়টা সৃষ্ট। কিন্তু সকল প্রকার ষঢ়যন্ত্রতত্ত্বের মূল সমস্যা হলো দায় এড়াবার প্রবণতা। এ কারনেই পিলখানার ঘটনাকে আমি "বিয়োগান্তক" (ট্র্যাজেডি) কিংবা "অন্তর্ঘাতমূলক" (স্যাবোটাজ) হিসেবে দেখবার বদলে অব্যবসায় (unseasoned) কিংবা বিদ্রোহ (mutiny) হিসেবেই দেখি। যেখানে মানুষের দায় থাকেনা তাকেই ট্র্যাজেডি বলে। যেখানে অন্যের দায় থাকে তাকে স্যাবোটাজ বলে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রায় সব সমস্যা পদ্ধতিগত (systematic)। পিলখানার ঘটনাকে যদি স্যাবোটাজ হিসেবে ধরেও নেয়া হয় তথাপি তাতে জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনী সমূহের দায় মোচন হয় না। এইযে তাদেরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটা অঘটন ঘটানো হলো এটা কি তাদের প...