Posts

Recipe for disaster: Juvenile delinquency as a vehicle of change in the absence of Faith

Image
Tweet :   This is identity appropriation inversed. A very common technique among the leftist revolutionary currents and not uncommon as a historical phenomenon either. But it is not the main issue here provided that Turkic is not a monolithic ethnic identity.   Besides the Uthmanly were not merely Turkic they were "Osmanlı Türkleri". "Türk" had actually been used as a derogatory term for the Anatolian shepherds. Uncultured, uncouth.   I think the main issue here is the legacy of French Revolution. It agitated the youth globally. For example, the Young Türk is considered to be influenced by Giovine Italia. And nationalism is one of its dirty artifacts. Hence Attatürk. The modern turkification of Anatolia under his terror regime and the identity politics of modern Türkiye at large. The birth of Nationalist Türkiye. Within the spectrum of Ethnic Nationalism and Religious Nationalism Attatürk leaned towards ethnicity while Erdoğan leans towards religiosity. But...

সংবিধানতন্ত্রের বুজরুকি

ফরাসী বিপ্লবের মাধ্যমে যে খোদাদ্রোহীতার সূচনা হয়েছিলো বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে তা এক রকমের চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। সমস্যা দেখা দেয় তখনই যখন "পুরানা বন্দোবস্তের" বিরুদ্ধে আঙ্গুল তোলা "বিপ্লবীরা" নতুন বন্দোবস্তের খোদা বনে যাবার প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়। কেননা এটাই ধর্মীয় বন্দোবস্ত নামে পরিচিত। কেউ একজন নবী হিসেবে আবির্ভূত হন। মানুষ তাঁর প্রদত্ত বিধানবলীকে ঐশ্বরিক জ্ঞান করে তা অনুযায়ী আমল করে। কিন্তু খোদায়ী বন্দোবস্তের কবর রচনার পর দেখা গেলো একেবারে মৌলিক সিদ্ধ-নিষিদ্ধ অর্থাৎ হালাল-হারামের বিষয়ে খোদ বিপ্লবীরাই এক হতে পারছেনা। তাছাড়া যে মনুষ্যকুল নবী-রসুলগণকে শরীয়ত প্রণেতা হিসেবে মান্যগন্য করে এসেছে তারা কেনো এমন সব ব্যক্তিদের প্রদত্ত আইন মান্য করবে যারা নিজেরাই নিজেদের সৃষ্ট জীবন-দর্শন, কালা-কানুনের ব্যাপারে সংশয়যুক্ত ও অনৈক্য? সুতরাং আদম সন্তান পয়দা হওয়ার মতো সংবিধানও পয়দা হয়ে গেলো। শুধু তাই নয় অনিবার্য যৌক্তিক কারনেই সংবিধান ও তথা-কথিত জাতি-রাষ্ট্র্যের ওপর খোদায়ী বৈশিষ্ট্য সমূহ আরোপ করা হলো। কিন্তু কথায় বলে না, ট্যাঁএঁএঁ করে জন্ম নিয়েও মানুষ হতে পারলাম না। তদ্রুপ সংবিধান ...

আকলমান্দকে লিয়ে ইশারাই কাফি

কথায় বলে যার নয় বছরে আক্কেল হয়না তার নব্বুই বছরেও আক্কেল হয়না। ইউএস-ইরান যুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা থেকে শুরু করে তাদের শাসক শ্রেনীর একটা পুরো স্তর উড়ে গিয়েছে। তথাপি কিছু আরবদের ধারণা এগুলো সবই মঞ্চস্থ নাটক মাত্র। যে আরব শাসককুল কদিন আগেও ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিকরণের নিমিত্তে প্রকাশ্য দহরম-মহরমে লিপ্ত ছিলো, এব্রাহাম একর্ড সহ রিয়াদে মাগী পার্টির আয়োজন করেছিলো তাদের ঘেঁটুপুত্রেরাই এখন ইরানের সাথে জায়নবাদীদের গুপ্ত ছলাকলার রগরগে গল্প ফাঁদায় ব্যস্ত। সন্দেহ নেই ইরানের সাথে ইউএসের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল প্রকৃতির। অর্থাৎ প্রকাশ্য ঘটনাবলীর আলোকে পর্দার আড়ালে কৃত দেনদরবারের ধারণা করা অত্যন্ত দুরুহ। কিন্তু তাই বলে সবকিছুতে ষঢ়যন্ত্রতত্ত্ব আবিষ্কার করে বসাটা ব্যক্তি বিশেষের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈণতা বৈ তো কিছু নয়। সিরিয়ায় ডিসেম্বর'২৪ এর বিপ্লবের পর ইরানের প্যান-ইসলামিক মুখোশ খসে পড়ে তার সাম্প্রদায়িক কুৎসিত চেহারাটা বেরিয়ে পড়েছে। আমরা দেখেছি বিপ্লবের পরও বিগত দু দুটো বৎসর হেজবুল্লাহ কিভাবে সিরিয়ার ভেতর অপতৎপরতা জারী রেখেছে। আমরা দেখেছি ইরান কিভাবে সিরিয়ায় অনবরত ফিৎনা-ফাসাদ উস্কে দিয়ে এ...

আমেরিকার মাহাত্ব্য ও বানলাদের দেউলিয়াত্ব

আমেরিকানরা মহান জাতি এই কারনে নয় যে তারা সেখানকার প্রকৃত অধিবাসীদের হত্যা করে তাদের জায়গায় আবাস গড়েছে। যদিও দেশীয় বামাতি গুলো সেদিকেই সারাক্ষণ আঙ্গুল তাক করে থাকতে পারলে বাঁচে। ভাবখানা এমন যে কমুনিস্ট শাসনে কোন মানুষ মরে নাই। কমুনিষ্ট রাষ্ট্র সবাইকে বিরানি রেন্ধে খাওয়াইতো। আমেরিকানরা এ কারনেও মহান নয় যে তারা নগ্নতা-অশ্লীলতা প্রিয়। বরং তাদের মধ্যে এটা নতুন চল-ই বটে! ঐতিহাসিকভাবে আমেরিকানরা অত্যন্ত রক্ষণশীল জাতি। অথচ একাংশ দেশীয় বুদ্ধিবেচির দাবী হলো যে বানগালীরা নাকি খুবই রক্ষণশীল জাতি। রক্ষা করবার কিছু থাকলেই না তবে সে রক্ষণশীল হবে। বারোভাতারির পয়দাদের আবার রক্ষণশীলতা কি? অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে দেশে বুদ্ধি চর্চার জায়গীর নিয়ে বসা পান্ডাগুলো গোঁড়ামীকে রক্ষণশীলতার সাথে গুলিয়ে ফেলেছে। বানলারা গোঁড়া, রক্ষণশীল নয়। আমেরিকানরা রক্ষণশীল, গোঁড়া নয়। আমেরিকানরা মহান কারন তারা পরিশ্রমী। আপনি যদি Strategy Game গুলো খেলেন, দেখবেন সেখানে প্রতিটি জাতির কিছু বিশেষ গুণাবলী ও দূর্বলতা আছে। আমেরিকা ও জর্মনদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো যে তারা কঠোর পরিশ্রমী। এর মধ্যে আমেরিকানদের স্বাতন্ত্র হলো তারা উদ্যোগী (entreprene...

পরমতসহিষ্ণুতা

পরমত অসহিষ্ণুতার ব্যাপারে আমার সহোদর-সহপাঠীদের অভিযোগ বেশ পুরোনো। প্রথমে আমলে নিতাম না। কারন অন্যকে, অন্যের মতকে আমি যে আসলেই তুচ্ছজ্ঞান করিনা সে ব্যাপারে আমার ভেতর একধরনের প্রতীতি ছিলো। কিন্তু বেশকয়েকবার এমন অভিযোগ পাওয়ার পর আমার উপলব্ধি হলো যে এরা সবাই ভুল আর কেবল আমি সঠিক এমন হবার সম্ভাবনা কমই। তখন এ নিয়ে আমি চিন্তা-ভাবনা শুরু করলাম। আমার উপলব্ধি হলো যে জোশ-জজবার সাথে আমি নিজের মতকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং অন্যের মতকে খন্ডন করতে চাই নিশ্চই সেখান থেকেই এই ভুল ধারণার প্রতিষ্ঠা। আমি বিতার্কিক নই। তর্ক করা পছন্দ-ও করিনা। বাংলাদেশে ইশকুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বাচাল-বেয়াদব বানাবার অনেক প্রক্রিয়া আছে। তার একটার নাম অন্ত: কিংবা আন্ত: ইশকুল বিতর্ক প্রতিযোগীতা। এটা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। দেশের অনেক কিছুই বন্ধ হওয়া দরকার। আসলে ভারতের সাথে সংগম করে পাওয়া দেশটার পুরো বন্দোবস্ত-ই বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। সে যাক। তর্ক আর আলোচনা এক নয়। কথায় বলে বিদ্বজ্জনের সভা হলে করে আলোচনা, মূর্খজনের পঞ্চায়েতে লাগে ঠনাঠনা। যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ দেশের সংসদ। এ কারনেই জামায়াতে ইসলামীর লোক না হলে এখন আর কারোর-ই "বক্তিমার...

বাংলাদেশের আসন্ন সংকট ও তার সমাধানের সূত্র

বাংলাদেশের মুসলমানদের স্বাধীকার অর্জনের পথে ভবিষ্যতে কতোটুকু রক্তপাত ও ফিৎনা হবে, সময় ক্ষেপন হবে তার অনেকাংশ নির্ভর করে দেশের মানুষের ওপরই। দেশের মানুষ যতো দৃঢ় ভাবে জামাতের নেতৃত্বে আল্লাহর রজ্জুকে শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধরবে তাগুতি শক্তির পক্ষে ফিৎনা-ফাসাদ সৃষ্টি করা ততো মুশকিল হয়ে পড়বে। মুসলমানদের ঐক্য যতো সুদৃঢ় হবে তাগুতি শক্তির আক্রোশ ততো গুপ্ত থেকে প্রকাশ্য হতে থাকবে। এমনকি এক পর্যায়ে দেশেরই একটি ক্ষুদ্র অংশ প্রকাশ্যে খোদাদ্রোহীতায় লিপ্ত হয়ে যাবে এবং কাফিরদের সহযোগিতায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীকে হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠবে। এটাই গাযযাতে হয়েছে। অর্থাৎ আমার হিসেবে আপনারা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকেন তাহলে তাগুতি শক্তি বিশৃঙ্খলা করে, গুজব সৃষ্টি করে সুবিধা করে উঠতে পারবেনা। কিন্তু ভারতের সহযোগীতায় এদেশীয় মুসলমানদের হত্যাযজ্ঞ ঠেকানোর তেমন কোন প্রস্তুতি আমাদের হাতে নাই। ২০০৭ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে হামাস যতোটুকু-ও বা সুযোগ পেয়েছিলো প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলবার একাত্তুরের পর বাংলাদেশ সেটাও পায়নি। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থা সিরিয়ার মতো হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী। সিরিয়াতে তো তাও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর...

সবার জীবনে প্রেম আসে

ছাত্র শিবিরের জীবনেও প্রেম এসেছে। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। অন্তত আমি আশ্চর্য হই নাই। বরং আমাকে আশ্চর্য করেছে গণসচেতনতা। পাবলিক ডিসকোর্স। গেলো জুলাই'২৪ পর্যন্ত-ও এহেন ক্ষুরধার আলাপ চোখে পড়তো না। এটা আশা জাগানিয়া বটে! বিএনপির স্থানীয় একটি চক্রের বিরাগভাজন হয়ে শিবিরের "আন্তর্জাতিক সম্পর্ক" বিভাগের সদস্য জিসানের গুম হওয়া, ফোনে মুক্তিপণ দাবী, সেই ফোন নম্বর ট্র্যাক করে মুক্তিপণ দাবীকারীদের না ধরে উল্টো জিসানের বিরুদ্ধ মামলা দেয়া, গুম করে গিলতে না পেরে জনতার চাপে পড়ে জিসান কে ফেরতের নাটক, তার পরপরই অভিযোগ ও অভিযোগকারীর নাটকীয় আবির্ভাব, অভিযোগকারীকে খোদ তার পরিবার থেকেই বিচ্ছিন্ন করে রাখা, অভিযোগকারীর পরিবারের সদস্য দ্বারাই রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক তাকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে যাবার অভিযোগ, সর্বপোরি জিসান ও অভিযোগকারী-কে আইনজীবী ও সাধারণের দৃষ্টির আড়ালে রাখা - এ সকল অসংগতি তুলে ধরতে পারাটা জনগণের একটা বড়ো সফলতা। মূলত এরকম কিছু যে হবে এটা ছিলো প্রত্যাশিত। সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যারা দিগবাজি করেছে তারাতো জানে ঘটনা সিরিয়াস! সুতরাং জামায়াতের এই বিপুল জনপ্রিয়তাকে না ধ্বসাতে পার...