সংবিধানতন্ত্রের বুজরুকি
ফরাসী বিপ্লবের মাধ্যমে যে খোদাদ্রোহীতার সূচনা হয়েছিলো বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে তা এক রকমের চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। সমস্যা দেখা দেয় তখনই যখন "পুরানা বন্দোবস্তের" বিরুদ্ধে আঙ্গুল তোলা "বিপ্লবীরা" নতুন বন্দোবস্তের খোদা বনে যাবার প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়। কেননা এটাই ধর্মীয় বন্দোবস্ত নামে পরিচিত। কেউ একজন নবী হিসেবে আবির্ভূত হন। মানুষ তাঁর প্রদত্ত বিধানবলীকে ঐশ্বরিক জ্ঞান করে তা অনুযায়ী আমল করে। কিন্তু খোদায়ী বন্দোবস্তের কবর রচনার পর দেখা গেলো একেবারে মৌলিক সিদ্ধ-নিষিদ্ধ অর্থাৎ হালাল-হারামের বিষয়ে খোদ বিপ্লবীরাই এক হতে পারছেনা। তাছাড়া যে মনুষ্যকুল নবী-রসুলগণকে শরীয়ত প্রণেতা হিসেবে মান্যগন্য করে এসেছে তারা কেনো এমন সব ব্যক্তিদের প্রদত্ত আইন মান্য করবে যারা নিজেরাই নিজেদের সৃষ্ট জীবন-দর্শন, কালা-কানুনের ব্যাপারে সংশয়যুক্ত ও অনৈক্য? সুতরাং আদম সন্তান পয়দা হওয়ার মতো সংবিধানও পয়দা হয়ে গেলো। শুধু তাই নয় অনিবার্য যৌক্তিক কারনেই সংবিধান ও তথা-কথিত জাতি-রাষ্ট্র্যের ওপর খোদায়ী বৈশিষ্ট্য সমূহ আরোপ করা হলো। কিন্তু কথায় বলে না, ট্যাঁএঁএঁ করে জন্ম নিয়েও মানুষ হতে পারলাম না। তদ্রুপ সংবিধান ...