সর্ষের মধ্যে ভূত এবং তার ওঝার খোঁজে
এবং লন্ডনী মুফতি ও তার দলের পরিণতিও তার চাইতে ভিন্ন কিছু হবে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না। সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চাই ভোট গনণার প্রাক্কালে যখন চারিদিকে জামায়াতের প্রার্থীদের জয় জয়কার, তখন লন্ডনী মুফতি বলেছিলেন যে, কোন ধরনের কারচুপি তারা মেনে নেবেন না। এর পরপরই কেন্দ্র ভিত্তিক ভোট গণনার ফলাফল সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। বিএনপি জিতে আসে। এর অর্থ কি? এর অর্থ হলো এই দেশে ভোট কারচুপির অধিকার শুধু মোক্তিজুদ্দের জায়গীরদারদেরই আছে। এটাই মোক্তিজুদ্দের চেতনা। ঠিক এই কারনেই মোক্তিজুদ্দ হয়েছিলো। আমরা যেটাকে উদরপন্থা বলে অভিহিত করেছিলাম। মাঝখান দিয়ে বেগম জিয়ার ত্যাগ তিতিক্ষা-কে পুঁজি করে যে মাদার অব ডেমিক্রেসির মতো তুচ্ছ ও সস্তা বয়ান ছাড়া হয়েছিলো তা স্রেফ ছিলো দেশের জনগণকে ঘোল খাওয়ানোর ধান্দা। আওয়ামীলিগের মতো বিএনপির রাজনীতি-ও যে জনপ্রতারণা নির্ভর তার সাক্ষ্য বিএনপির সাংসদেরা ইতিমধ্যে দিয়েছে খোদ সংসদে দাঁড়িয়ে। এর চাইতে বড়ো দেশদ্রোহীতা আর হয় না। কিন্তু এটা সম্ভব হতো না যদি না মিলিটারী ও সিভিল প্রশাসনসহ রাষ্ট্র্যযন্ত্রের একটি অংশ এই জনদ্রোহী, দেশদ্রোহী অপকর্মে শামিল হতো। নির্বাচনের রাতে যা আমরা উপলব্ধি ক...