মনকলা

হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী হেবা নিয়ে এক আইন করেছে। আইনটা অনেকটা এরকম যে যদু মধুকে একটা ক্যালা গিফট করলো। কিন্তু তার সাথে শর্ত জুড়ে দিলো যে ক্যালা-টা সে খেতে পারবে না। না মানে খেতে পারবে কিন্তু মনে মনে। এটাকে বলে মনকলা।

বানগালী হাজার বছর ধরে এরকম মনকলা খেয়ে অভ্যস্ত। সে পাঁচ বছর পরপর চা-পানির বিনিময়ে ভোট দিয়ে গণতন্ত্রের মনকলা খায়। সে ধর্মহীন-বস্তিপট্টির পয়দাদের হাতে দেশ তুলে দিয়ে দেশের উন্নয়নের মনকলা খায়।

এই মনকলা খাওয়া-টা বানগালীর সহজাত। ঠিক এ কারনেই সম্পত্তির মালিকানা বিক্রির পরও সেই সম্পত্তির ওপর সে খবরদারী করতে চায়। সে কারও ছারবেন নয়। সে লেনলঠ। সে বিগেডিয়ার হাবিলদার ডাক্তার। পাগলের ডাক্তার। সে নিজেও পাগল। উন্মাদ। অকাট। অপদার্থ। হীনজাত।

আমেরিকান মানুষদের একটা উন্নত বৈশিষ্ট্য হলো যে সে তা-ই বলে যা বিশ্বাস করে। যা বলে তা-ই বোঝায়। কিন্তু বানগালী যা বিশ্বাস করে তা বলে না। যা বলে তা বোঝায় না। একজন আমেরিকানের নিকট ইয়েস মানে ইয়েস। কিন্তু একজন বাঙ্গালীর সম্মতি প্রায়শ বলপ্রয়োগ (coercion) কিংবা ছলচাতুরী (manipulation) ইত্যকার পারিপার্শ্বিক চাপের (peer pressure) বহি:প্রকাশ কেবল।

একজন আমেরিকান যখন কাউকে কোন চয়েস (choice) দেন তিনি সাধারণত সেই চয়েসের সম্মান রক্ষা করেন। একটা বানগালী যখন কাউকে চয়েস দেয় সেটা প্রায়শ থাকে পূর্বনির্ধারিত। কাজেই যতোক্ষণ পর্যন্ত না পূর্বনির্ধারিত চয়েসের সাথে তা মিলে যাচ্ছে ততোক্ষণ পর্যন্ত সে নানা ধরনের তালবাহানা করে।

অর্থাৎ যেকোন ভাবে একটা বুটাবুটি করে ফদাংমোনতি হতে পারলেই বানগালীর চলে। কিন্তু বোটাবুটি-টা কত্তে হবে। একটা ইয়ে আছে না? লক্ষ্য করুন যে বলপ্রয়োগ-টা সে এলেকশন এনজনিয়ারিং এ করে সেই বলপ্রয়োগ করেই কিন্তু নির্বাচন ছাড়াই সে ক্ষমতার দখল নিতে পারতো। কিন্তু তা নয়। তার গণতন্ত্র-ও চাই। মানে সে হজ্জে যাবে কিন্তু হারাম টাকায়। তথাপি তাকে হজ্জে যেতেই হবে। সমাজে তার একটা পেস্ট্রি আছে না? তারপর হজ্জ থেকে ফিরে দেড় মাইল লাম্বা পদ-পদবীর চিপায় আলহাজ্জ শব্দটা ঢুকিয়ে দেবে। ইংরেজীতে এটাকে বলে form over function কিংবা form over substance। মানে ঈমান থাকুক বা না থাকুক মোছলমানগিরী ফলাইতে হবে। দেখাইতে হবে।

এজন্যই বলি বানগালীর খায়েশ আছে, খ্যামটা নাই। সে বস্তিপট্টির পয়দা হলে কি হবে সে ওয়েস্টমিনিস্টার এবি কত্তে চায়। সে ধর্মহীন-আকাডা হইলে কি হবে রাষ্ট্র্যের মালিক হইতে চায়। মনে করেন যে একটা কমেডি হবে। একজন হবে ছবাপতি। একজন হবে পেছিডেম। আরেকজন চ্যাগ্রেডারি। তারপর তিনটায় মিল্যা ফুন্দাফুন্দি করবে। ঠিকাছেনা?

ঠিক এ কারনেই আমেরিকানদের মধ্যে এক ধরনের ব্যক্তিস্বত্তা (personality) গড়ে ওঠে। আর বানগালীরা চিরকাল বানগালী রয়ে যায়।

হেবা সম্পর্কিত এহেন বেআইনী পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে গবুচন্দ্র মন্ত্রীর ভেতরকার বাংলা-টি জনসম্মুখে চলে এলো। অথচ বাংলা-টি নতুন নয়। পুরান মাল। তারই কমরেড পিনাকীর ভাষায় জাসদের মাল। আমাদের মাওলানা রহ: সাহেবের সেই অমর বানী: সরকারের মাথার ওপর চেপেছে বামপন্থীরা। বরবাদে গুলিস্তান কে লিয়ে একই উল্লু কাফি হ্যায় ... কিন্তু উল্লুকেরা রাষ্ট্র্যের মালিক বনে গেছে এখন কপাল চাপড়ানো, শাপ-শাপান্ত করা ছাড়া মুসলমানের আর কি করার আছে? মজিবের জীবনে যদি একটি ভালো কাজ থেকে থাকে তা হলো সিরাজ শিকদার সহ খোদাদ্রোহী কমুনিস্ট জাসদের হোগা মেরে দেয়া। হাসিনার জীবনে যদি একটি ভালো কাজ থেকে থাকে তাহলো স্বার্থান্ধ সোনাবাহিনীর হোগা মেরে দেয়া।

কিন্তু আমি আশ্চর্য হয়েছি জাসদের বাংলা-টির এই আকামের বিপরীতে ব্যাপক গণ-অসন্তোষ দেখে। কেননা তার এই আহমকি-বদ পরিকল্পনার কথা সে বিগত এপ্রিল-মের দিকেই ব্যক্ত করেছিলো। ফারায়েজের ব্যাপারে আইয়্যুবী বিমার সম্পর্ক ওয়াকিবহাল থাকায় আমি তার সংক্রমণ সম্পর্কে আঁচ করবার জন্য এই লোকের বক্তব্য স্বয়ংক্রিয় শ্রুতলিপিকারের মাধ্যমে টুকে রাখি। নোট নেই। কিন্তু পরে মনে হলো, এই গান্ডুর দেশে এসব বলে লাভ কি? বরং না বলে দেখি ঘটনা কতোদুর গড়ায়। দেখা যাচ্ছে গন্ডারের কাতুকুতুর মতো বানগালীর প্রতিক্রিয়াও হয় অনেক দেরীতে। তাও কি এক বিচ্ছিরি অবস্থা।

এই ঘটনায় অনেকেই দেখলাম ইসলাম-মযহাব টেনে নিয়ে ব্যাড়াছ্যাড়া করে ফেলছেন। অথচ ধর্মের প্রসঙ্গ-টি আরও উর্দ্ধের ব্যাপার। আগে তো আদম হইতে হবে তারপরই না ধর্ম, ইসলাম কিংবা শরীয়তের প্রসঙ্গ। চিন্তাভাবনা-ই যদি হয় উল্লুক-গর্দভের মতো তাইলে সেখানে শরীয়তের মতো উচ্চমার্গের আলাপ টানবার যৌক্তিকতা কি?

মূল প্রশ্ন হলো স্রেফ চারটা।

১) আইনের বৈধতার উৎস কি?
২)  শর্ত সাপেক্ষে দান হয় কিনা?
৩) পাওনাদারের পাওনা উপহার হিসেবে প্রদান করা যায় কিনা?
৪) একজনের সম্পত্তি আরেকজন দেয়ার অধিকার রাখে কিনা?

প্রথম প্রশ্ন-টা এতোটাই মৌলিক যে এর সমাধান করতে গেলে মোক্তিজুদ্দ সহ পুরো মোছলমানি-সেকুলাঙ্গার ব্যবস্থার মুরতাদী বেরিয়ে পড়বে।

মানুষের স্বাভাবিক আকলজ্ঞানে দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরটা সহজ। শর্ত সাপেক্ষে অবশ্যই দান হয়। কিন্তু সাধারণত সেই শর্তের কার্যকরীতা দান সংঘটনের পূর্বে বহাল থাকে পরে নয়। অন্যথা চলমান দানের ক্ষেত্রে তা বহাল থাকবার জন্য কিছু শর্ত আরোপ করা যায়। কিন্তু কাউকে কিছু দেবার ঘোষণা দিয়ে তা নিজের কাছে রেখে দিলে দান হয়না বাঙলামী হয়। দেশী নারায়ণী হুজুরগিরি, লিল্লাহ বোর্ডিং ও পিরালী ব্যবসা হয়।

তৃতীয় প্রশ্নের উত্তরটাও সহজ। পাওনা অধিকার। উপহার অধিকার নয়। উপহার দিতে কেউ বাধ্য নয়। কিন্তু পাওনা দিতে বাধ্য।

চতুর্থ প্রশ্নের উত্তরও সহজ। যা আপনার নিজের অধিকৃত নয় তা আপনি অন্যের অধিকৃত করবেন কিভাবে? ইসলামী মিরাসী আইনে সন্তান তার পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি পায়। কাজেই দাদার পূর্বে পিতার মৃত্যু ঘটলে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্য সম্পত্তি হস্তান্তরের সেই স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা-টা ছিন্ন হয়ে যায়। দাদা চাইলে অবশ্যই তার উপার্জিত সম্পদ থেকে একটা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত তার নাতী-নাতনিকে দান বা উপহার দিতে পারেন। কিন্তু নাতি-নাতনীরা তার সম্পত্তির ওপর কোন অধিকার দাবী করতে পারেন না।

কিন্তু বানগালীর মাথায় এসব মৌলিক বোঝাপড়া খেললে তো আজ তাদের এহেন দুর্দশা হতো না। মজিবর-জেয়াওর-লেজেহোমোরা তাদের বাপ বনে যেতে পারতো না। বরং গবুচন্দ্র মন্ত্রীর আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে ঘটনা আমরা যা ভেবেছিলাম তার চাইতেও বাংলাদের পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর। এমন সব ব্যক্তিদের উদাহরণ তিনি টেনেছেন যাদের আমরা ধার্মিকজন বলেই চিনতাম। সেই লোকেরা পর্যন্ত এহুদীদের মতো শুক্কুরবার জাল ফেলে রবিবারে গিয়ে মৎস্য শিকারের মতো খোদার সাথে চালাকি করবার আহম্মকিতে লিপ্ত ছিলো। পুত্র ও কন্যা সন্তানদের মধ্যে সম্পত্তি সমবন্টনের মতো বেদাত যা ক্ষেত্র বিশেষে কুফরীতে গিয়ে ঠেকে তার ফন্দী-ফিকির করছিলো। পুত্রহীন পিতা-মাতা খোদায়ী বন্টন নীতি এড়িয়ে কি করে কেবল তাদের কন্যা সন্তানদের কাছে সমস্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় তা নিয়ে গবুচন্দ্র মন্ত্রীর সাথে ধর্মদ্রোহী-অনৈতিক আইনী পরামর্শ করছিলো।

কাজেই এটা আশ্চর্য নয় যে এইসব বেঈমানেরা খোদার বিধানকে ফাঁদ বা ক্ষতিকর মনে করে তার প্রতিকার করতে যেয়ে নিজেদেরকে আরও বড়ো ফাঁদে ফেলে দিয়েছিলো। নিজেদের আরও বড়ো ক্ষতি করেছিলো। তথাপি গবুচন্দ্র মন্ত্রী খোদাদ্রোহীতার পরিণতি দেখে তা থেকে সচেতন না হয়ে উল্টো আরও বড়ো খোদাদ্রোহীতার পথ বাতলে দিচ্ছে। তার সমমনা বালেস্টরেরা তার সাথে সহমত দিয়ে বাংলা সিনেমার আবেগী গালগপ্পো জুড়িয়ে দিলেও সমস্যা সমাধানে তার মতোই রোগের চিকিৎসা না করে রোগের উপসর্গ প্রশমনে উঠেপড়ে লেগেছে।

আধুনিক যুগে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইরানসহ প্রায় সকল মুসলিম দেশ সমূহে রাতারাগি গণবিদ্রোহ-ইসলামী বিপ্লব ঘটে গেছে খোদাদ্রোহীদের দ্বারা ইসলামের মিরাসী সম্পত্তি বন্টন আইন পরিবর্তনের প্রচেষ্টা-কে কেন্দ্র করে। কিন্তু বাংলাদেশে ইসলামী বিপ্লবের জন্য তার চাইতে উপযুক্ত কার্যকারন বিদ্যমান থাকা স্বত্বেও তা বিলম্বিত হওয়া দেখে বোঝা যাচ্ছে যে ইসলাম ধর্ম নিয়ে বাংলাদের দীর্ঘদিনের বাটপারী তাদের ওপর খোদায়ী গজব-কে অনিবার্য করে তুলেছে। এমন পরিণতি থেকে মহান আল্লাহ এদেশের নিরীহ-নিপীড়িত মু'মিনদের যেনো রক্ষা করেন।

পরিশিষ্ট:

১) জেনারেলের রেখে যাওয়া স্ত্রী-কে রেখে যাওয়া কন্যা সন্তানের জামাইরা বের করে দেয়ার প্রতিকার হিসেবে বলা হচ্ছে যে স্ত্রীর জীবদ্দশায় সম্পত্তি ভোগ-দখলের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে অপরাধ এক জেনারেলের স্ত্রীর সাথে তার কন্যারা বা কন্যার জামাইরা করতে পারে, সেই অপরাধ আরেক জেনারেলের কন্যাদের সাথে বা তাদের স্বাীদের সাথে তাদের স্ত্রীরা যে করবে না তার গ্যারান্টি কিসের ভিত্তিতে দেয়া হচ্ছে? তাছাড়া ঐ জেনারেল মিরাসী কায়দায় যদি স্ত্রীর প্রাপ্য অধিকার আদায় করে থাকেন তাহলে কিসের ভিত্তিতে তাকে আরও অধিক সম্পত্তির ওপর অধিকার প্রদানের কথা বলা হচ্ছে?

 ২) যুক্তরাষ্ট্র্যের মতো দেশগুলোতে যেখানে ধর্মহীন আইন চলে বিধায় আজ পর্যন্ত স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদ উত্তর সম্পত্তি বন্টনের কোন সার্বজনীন বিধান প্রতিষ্ঠা করা যায় নাই। ঠিক এই কারনেই তাদের মধ্যে বিবাহ বহির্ভূত একত্রে বসবাসের চল বৃদ্ধি পেয়েছে। শুরুর দিকে তারা চেয়েছিলো prenuptial agreement এর মাধ্যমে একটা সমাধান করতে কিন্তু তা যে কাজে দেয়নি তাতো স্পষ্ট। প্রশ্ন হলো আধুনিকতাবাদ, বিজ্ঞানবাদ, কিংবা মানবতাবাদের ভেক ধরা দেশীয় প্রস্তর যুগের বান্দর গুলো কেনো মনে করছে যে উন্নত বিশ্বের মানুষেরা যে পথে গিয়ে হোঁচট খেয়েছে সেই পথ দিয়ে তারা ছুটে চলতে পারবে?

মেয়েদের ওয়ারিশ সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে যা জানালেন আইনমন্ত্রী | Law minister | Rtv News ]


https://notegpt.io generated transcript

00:00:01
 আমার সম্পদ যেটা আছে সেটা আমি মারা যাওয়ার পরেও ওই দুই কন্যা পাবে এসপার ইসলামিক শরিয়াল টু থার্ড ওয়ান থার্ড চলে যাবে আমার অন্য ওয়ারিসদের পিছনে আমার ভাই বোন তাদের কাছে হিন্দু ধর্মে এই মেয়েদেরকে ওয়ারিসের >> জায়গাই নাই খ্রিস্টান ধর্মে একরকম আছে তো সেখানে এখানে একজন বাবা যখন তার জীবদ্দশায় মনে করবেন যে আমি যাওয়ার পর আমি আমার কষ্টার্জিত সম্পদ আমার সন্তানদেরকে আমি গিফট করে দিয়ে যাব দান করব সেটা মুসলিম লতে আমরা পারবো না কি কারণে কমপ্লিট যখন আমি গিফট করব হেবা করব তখন আমার কমপ্লিট সারেন্ডার করতে

00:00:53
 হচ্ছে ওই প্রপার্টি যে মুহূর্তে কমপ্লিট সারেন্ডার করার পরে ওই প্রপার্টির উপর আমার সমস্ত রকম অধিকার চলে যাচ্ছে। তারপরে আমি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি আমার ছেলেমেয়েদের উপরে। তারা যদি রাখতেও পারে নাও পারে। তো এরকম একটা কেস আমার কাছে এসেছিল। একজন মেজর জেনারেল সাহেব। মেজর জেনারেলের ওয়াইফ। আমি নাম বলছি না। উনাদের দুইটা মেয়ে সন্তান ছিল। তার বাড়িধারাতে একটা বাড়ি ছিল। জেনারেল সাহেব মারা যাওয়ার পরে উনার ওয়াইফের নামে প্রপার্টি চাচ্ছিল। দুই মেয়ে মেয়ের জামাইরা এসে তাকে এমনভাবে আদর আপ্যায়ন করছে যে উনি সবকিছু ভুলে

00:01:43
 প্রপার্টিটা তাদেরকে দিয়ে দিছেন। যেদিন দিয়ে দিছেন তার পরের সপ্তাহ ওই ভদ্র মহিলাকে তার বয়স তখন প্রায় 80 বছর। দুই মেয়ে জামাইরা মিলে বাসা থেকে বের করে দিয়েছেন। যদি এরকম না আইন করা যায় ধরেন ভদ্র মহিলা গিফট করলেন সেই গিফটটা কন্ডিশনাল গিফট হলো যে তার জীবদ্দশায় সে ভোগ দখল করতে পারবে না >> তার জীবদশায় সে বিক্রি করতে পারলো না ভোগ দখল করতে পারবে সেখান থেকে তাকে এটাকে আইনের ভাষায় বলা হচ্ছে ইউসুফরাক ট্রাইব এখন সমস্যা হল এই আইন যখন পাশ করতে যাব তখন মনে হবে গেল গেল গেল গেল বুঝতে পারছেন সেই জায়গায় আমাদের একটা

00:02:32
 ব্যাকিং আছে ব্যাকিংটা হলো 1963 সালে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের একটা রায় আছে যেটাকে বলা হচ্ছে ইউসুফ রাইট >> স্যান্ডেলিনাস রূপচর্চায় আভিজাত >> যে রায়ে বলা হচ্ছে বাবা মা যদি তার সন্তানকে কোন প্রপার্টি গিফট করেন ইমবল প্রপার্টি তাহলে সে সেখানে জীবনসত্ব রাখতে পারবে আমি যে কথাটা বললাম ওটা আমাদের দেশে এখনো এটা ওইভাবে এক্সারসাইজ হয় না। তবে দুইটা গিফ ডিড আমি এই আলোকে করে দিয়েছিলাম। একটা ছিল ফরমার চিফ জাস্টিস। জনাব মোস্তফা কামাল সাহেবের প্রপার্টি। তার সন্তানদেরকে গিফট করে গেছিলেন এই ইউসুফ রাইটটাকে কন্টেন করে। আরেকটা হলেন

00:03:18
 ব্যারিস্টার সৈয়েদ ইসতিয়াক আহমেদ। [গলা পরিষ্কার করা] তার প্রপার্টি গিফট করেছিলেন তার সন্তান। আমি দুইটাই আমি আমি করে দিয়েছিলাম এই জাজমেন্টের আলোকে তার সন্তান আমাদের ফরমার চিফ জাস্ট ইমিডিয়েট পাস চিফ জাস্টিস তাকে দিয়ে গিয়েছিলেন। আপনারা যদি সোশ্যাল এওয়ারনেস প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে এই জিনিসগুলো সামনে আনেন অনেক প্রবীণ মানসিক শান্তি পাবেন। একই সাথে তার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তার অর্জিত সম্পদ ভোগ দখল করে যেতে পারেন। কারো উপর নির্ভরশীল হতে হবে না। এটা পিএলডিতে একটা ডিসিশন আছে। আপনাদের মধ্য থেকে প্রশ্ন

00:03:58
 এসেছে নারী শিশু ও নারী নির্যাতন ডেস্ক আছে। প্রবীণ নির্যাতনের প্রতিরোধের ব্যাপারে কোন ডেস্ক থাকবে কিনা? আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন আমরা এবার একটি আইন পাশ করেছি। আমাদের নতুন অধিদপ্তর গঠিত হয়েছে। লিগাল এইড অধিদপ্তর। আপনার একটাও69 হটলাইন আছে সারা বাংলাদেশের জন্য সারা বাংলাদেশের জন্য এই অধিদপ্তরের আন্ডারে আমরা এখন লিগালাইট প্রোভাইড করছি শুধুমাত্র প্রবীণদের জন্য না সবার জন্যই তবে আমাদের নির্দেশনা দেওয়া আছে যে প্রবীণদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সার্ভিসটা দেওয়ার জন্য এটা বলা আছে এটা

00:04:47
 সারা বাংলাদেশব্যাপী এবং এর সুফল যেটা আমরা ইতিমধ্যে পেয়েছি আমাদের গত চার মাসের যে স্ট্যাটিস্টিক্স দেখলাম 20 টা জেলাতে আগের চার মাসে মামলার ফাইলিং ছিল 10,000 সামথিং আমরা লিগাল এইডের সাথে মিডিয়েশনটা ইন্ট্রোডিউস করেছি ফলে এরা যখন মিডিয়েশন করছে আমার লিগাল এইড টিম একজন জুডিশিয়াল অফিসারের নেতৃত্বে ওই আগের চার মাসে ওই 20 টা জেলাতে 10000 এর উপরে মামলা ফাইল হয়েছে। পরের চার মাসে ওই 20 জেলাতে 4,000 মত মামলা ফাইল হয়েছে। এরাউন্ড 60% মামলার ফাইলিং রিডিউস করতে পেরেছি। আমরা বলেছি যে যদি কোন মামলা ফাইল করার

00:05:34
 আগে কমপ্লেনট করবে লিগাল দরকার হয় তখন অন্য পক্ষকে ডেকে নিয়ে এসে কমপ্রমাইজ করে দেওয়া। আর যেগুলো প্রেটি মামলা আছে সেগুলো বলছে লিগালডের মাধ্যমে। যেমন চেক ডিজয়ারের মামলা বছরের পর বছর ঘুরছে দুই পক্ষকে ডেকে যদি সমাধান করা সম্ভব হয় কুইক ডিসপোজাল করা ছোটখাট চুরির মামলা এই জায়গাগুলো আরেকটা ধরনের মামলা বেশিরভাগ হচ্ছে যেটা আপনাদের স্টাডি বলছে নারী শিশু নির্যাতনের মামলায় আপনার লেভেন গ যৌতুকের জন্য নির্যাতন এই মামলাতে দেখা যাচ্ছে কনভিকশনের হার এক পারসেন্ট মামলা প্রমাণ করার হার এক পারসেন্ট এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা যারা ল প্র্যাকটিস

00:06:22
 করে এসেছি আমরা দেখেছি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যখন বনিবনা হচ্ছে না তখন যে একটা মামলা ঠুকে দিচ্ছে সেখানে মামলায় আসামী হচ্ছেন কে হাসবেন্ড শ্বশুর শাশুড়ি ননদ কোন কোন ক্ষেত্রে ননদের হাজবেন্ড দেবর এরা মিলে দেবর ভাসুর এই কারণে আদালত তখন কনফিউশনে পড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ডিভোর্স হয়ে গেছে। ডিভোর্সের পরে যে মামলা করছে ডিভোর্সের আগের ডেটে যৌতুক চাওয়ার অভিযোগ এনে। ফলে এই মামলাগুলোতে আমরা একটা পর্যায়ে চিন্তা করেছিলাম যে নেগোসিয়েশন করা যায় কিনা। এই মিডিয়েশনের মাধ্যমে কুইক ডিসপোজালের দিকে। এখানে যারা নারী অধিকার কর্মী আছেন,

00:07:06
 মানবাধিকার কর্মী আছেন তাদের পক্ষ থেকে বলেছেন এটা করলে নারী নির্যাতনকে আবার এনকারেজ করা হবে কিনা? স্টিল আমরা এটাকে বিবেচনায় নিচ্ছি। কারণ ওই মামলাতে আসামি জায়গায় প্রবীণ নারীরাও আসামী হচ্ছেন। প্রবীণ যিনি শ্বশুর সেও আসামী হচ্ছে। এটা আমাদের একটা সোশাল সাইকি তৈরি হয়ে গেছে। যে আমরা এখান থেকে কিভাবে বের হতে পারি। উই আর থিংকিং এবাউট ইট। আমরা শিশুর প্রতি সহিংসতার ব্যাপারে জিরো টলারেন্স দেখাচ্ছি। যেমন আপনারা দেখেছেন আমাদের বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে শর্টেস্ট পসিবল টাইমে বিচার হয়েছিল রামিসা হত্যাকাণ্ডের ধর্ষণ

00:07:48
 এবং হত্যাকাণডের ছয় কার্যদিবসে আজকে আমরা সেই মাইল ফলকটাও ভেঙেছি আমাদের ঝিনাইদাহে পাঁচ বছরের শিশু তাম্মিমা তোয়া তোয়া ধর্ষণ এবং হত্যা মামলায় পাঁচ ওয়ার্কিং ডেজে আমরা বিচার সম্পন্ন করতে পেরেছি এবং একমাত্র আসামী তার মৃত্যুদন্ড হয়েছে। আজকের আজকের রেজাল্ট এটা আমরা সমস্ত সেক্টরকে এড্রেস করার চেষ্টা করছি। হয়তো অনেক কিছু আমাদের দৃষ্টির বাইরে থাকে। অনেক কিছু দৃষ্টিতে আসলেও আমরা ঠিক এড্রেস করে উঠতে পারি না। তো আপনাদেরকে অনুরোধ করব আপনারা লিগাল এইড ইউনিটের সাথে যোগাযোগ করবেন। কোন জায়গা বাংলাদেশের কোন

00:08:29
 প্রান্তে কেউ যদি অসহায় প্রবীণ মানুষ লিগাল এইডের প্রয়োজন হয় শেল্টারের প্রয়োজন হয় লিগাল শেল্টারের আপনারা লিগাল এইড অফিসে যোগাযোগ করবেন। আমি আশা করি আমার লিগাল এইড অফিস প্রবীণদেরকে প্রায়রিটি দিয়ে এটা করবে। আর অন্যান্য যে সাবজেক্টগুলো আছে আপনারা চিন্তা করে যদি আমাদেরকে বিল আকারে প্লেস করেন আমরা সেটাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পাবলিক পলিসির পাঠ করার চেষ্টা

Popular posts from this blog

The Politics of Funeral

বামাতি রাজনীতি থেকে উৎসারিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বরুপ

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আলাপ নিয়ে প্রলপন