মনকলা
হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী হেবা নিয়ে এক আইন করেছে। আইনটা অনেকটা এরকম যে যদু মধুকে একটা ক্যালা গিফট করলো। কিন্তু তার সাথে শর্ত জুড়ে দিলো যে ক্যালা-টা সে খেতে পারবে না। না মানে খেতে পারবে কিন্তু মনে মনে। এটাকে বলে মনকলা। বানগালী হাজার বছর ধরে এরকম মনকলা খেয়ে অভ্যস্ত। সে পাঁচ বছর পরপর চা-পানির বিনিময়ে ভোট দিয়ে গণতন্ত্রের মনকলা খায়। সে ধর্মহীন-বস্তিপট্টির পয়দাদের হাতে দেশ তুলে দিয়ে দেশের উন্নয়নের মনকলা খায়। এই মনকলা খাওয়া-টা বানগালীর সহজাত। ঠিক এ কারনেই সম্পত্তির মালিকানা বিক্রির পরও সেই সম্পত্তির ওপর সে খবরদারী করতে চায়। সে কারও ছারবেন নয়। সে লেনলঠ। সে বিগেডিয়ার হাবিলদার ডাক্তার। পাগলের ডাক্তার। সে নিজেও পাগল। উন্মাদ। অকাট। অপদার্থ। হীনজাত। আমেরিকান মানুষদের একটা উন্নত বৈশিষ্ট্য হলো যে সে তা-ই বলে যা বিশ্বাস করে। যা বলে তা-ই বোঝায়। কিন্তু বানগালী যা বিশ্বাস করে তা বলে না। যা বলে তা বোঝায় না। একজন আমেরিকানের নিকট ইয়েস মানে ইয়েস। কিন্তু একজন বাঙ্গালীর সম্মতি প্রায়শ বলপ্রয়োগ (coercion) কিংবা ছলচাতুরী (manipulation) ইত্যকার পারিপার্শ্বিক চাপের (peer pressure) বহি:প্রকাশ কেবল। একজন আমে...